এস কে হোসাইন:
গতকাল মধ্য রাতে ইরান দ্বিতীয় বারের মতো হামলা করে দখলদার ইহুদি রাস্ট্র ইসরাইলে।
মঙ্গলবার রাতে তেলআবিব সহ চারটি ঘাটি টার্গেটে করে দু-শতাধিক বেলেস্টিক মিজাইল ছোঁড়ে তেহরান।
তেহরানের সামরিক বাহিনির দাবি প্রায় নব্বই শতাংশ মিজাইল লক্ষস্হানে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।
তেহরান জানায় প্রথম বারের মতো ব্যাবহার করা হয় হাইপারসনিক মিজাইল ফাতাহ যা শব্দের চেয়ে অধীক দ্রূতগামি।
এই হামলার কথা শিকার করেছে তেহরান ও তেলআবিব দু-পক্ষই। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গনমাধ্যম বলছে বেশ কিছু মিজাইল আঘাত হেনেছে ইজরাইলের ভু খন্ডে।
এদিকে হুশিয়ারি দিয়ে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন এই হামলার চড়া মাসুল গুনতে হবে তেহরানকে।
নেতানিয়াহু হুশিয়ারি দিয়ে আরো বলে ইজরাইলে হামলা করে চরম ভুল করেছে ইরান। আত্নরক্ষার লক্ষে পাল্টা জবাব কত ভয়ন্কর হতে পারে তা কল্পনাও করতে পারবেনা তেহরান। যেমনটি নাসরুল্লাহ ফাতেহ সহ তাদের দোষররা অনুভব করতে পারেনি। ইজরাইল নিজের নিতি মেনে চলে তবে কেউ আঘাত আনলে তাকে পাল্টা জবাব দিতে আমরা প্রস্তুত।
এদিকে ওয়াশিনটন ইজরাইলকে প্রত্যক্ষভাবে সাহায্য করে যাচ্ছে বলেও আনর্যাতিক বিস্লেশকগন মন্তব্য করছেন। ইজরাইলে ছোঁড়া কিছু ক্ষেপনাস্ত্র মার্কিন নৌবাহিনি ভুপাতিত করেছে বলেও তাদের দাবি।
অন্যদিকে জর্দানের আকাস সিমা ভেদ করে ইরানের ছোঁড়া মিসাইল। তাই দেশটির আকাশ পথে বিমান চলাচলে আকাস সিমা বন্ধ করে দেয়া হয়। এক তত্থে জানাযায় জর্দানের আকাসে একটি ক্ষেপনাস্ত্র বিস্ফোরিত হয়ে ভুপাতিত হলে এক জর্দানি নাগরিক আহত হন।
ইরানের হামলায় ইজরাইলে বেজে উঠে সতর্কতা সাইলেন। বন্ধকরে দেয়া হয় আকাস সিমা। স্হগিত করা হয় সকল ফ্লাইট। একই সাথে মধ্যপ্রাচ্চের আরো কয়েকটি দেশেও নিরাপত্তার জন্য তাদের আকাস সিমা বন্ধ করে দেয়।
এর আগে গত এপ্রিল মাসে ইজরাইলে হামলা চালিয়েছিলো তেহরান। প্রায় তিনশতাধিক ড্রোন ও ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে তেহরান।
হিজবুল্লাহর নেতা হাসান নাসরুল্লাহকে হত্তার প্রতিবাদে ইরান এই হামলা করেছে বলে জানায়।

ইরান এই অভিযানের নাম দিয়েছে অপারেশম প্রমিজ টু।
গত এপ্রিল মাসে দামেস্কে ইরানের দুতাবাসে ইসরাইল আক্রমন করে ইরানের কাউনসিলর হত্যার প্রতিবাদে চালানো হয়েছিলো অপারেন প্রমিজ।
ইরানের মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাখেরি বলেন সুজোগ থাকা সত্তেও কোনো হামলা করা হয়নি ইসরাইলের সাধারন জনগনের উপর। আমাদের টার্গেট ছিলো সামরিক অবকাঠামগুলো। আর আমরা সেখানেই আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছি। পাল্টা আক্রমন করার চেস্টা করলে আরো সক্ত ভাবে জবাব পাবে ইসরাইল।
ইরানের এই হামলাকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিনের সাধারন জনগন। বাঁধ ভাঙ্গা উল্লাসে মেতে উঠেছে সেখানকার জনগন। একই সাথে মুক্তিকামি গোস্ঠি হামাস, লেবাননের মুজাহিত বাহিনি হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুতি সংগঠনও এই হামলাকে সাধুবাদ যানিৈছে।
ইরানের সামরিক বাহিনি আই আর জি সি জানিয়েছে ইসরাইলের তিনটি বিমান ঘাটি বেভাতিন, হেডজেরিন, তেলনোফ লক্ষ করে ইরানের হামলা। আর এই হামলায় বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিবিসি সংবাদ জানায়।
Leave a Reply