শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হাদিকে গুলি করা দুর্বৃত্ত গোয়েন্দাদের হাতে তৃতীয় বারের মতো পেছাল খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রা যা বললেন জাহেদ উর রহমান নির্বাচনের আগে দেশে ফিরবেন না তারেক রহমান ভালোবেসে বিয়ে অত:পর চীর বিদায় শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা দিলেন বিচারক গোলাম মর্তুজা, কেএই দুঃষাহশি ব্যক্তি কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযান, বিপুল ভারতীয় পণ্য জব্দ বাহরাইন প্রবাসী সাংবাদিক শাহিন শিকদার ইন্তেকাল করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি রোধে নতুন ব্যবস্থা আফগানিস্হানে ভূমিকম্পে চাপাপরা ণারীদের উদ্ধার করছেন না উদ্ধারকর্মিরা রাজবাড়ীতে নুরু পাগলার মাজারে হামলা, লাশতুলে পুড়িয়ে ফেলে জনতা

আমরা রত্ন চিনিনা, জানিনা তার মুল্যায়ন দিতে

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫
  • ৪০০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এসকে হোসাইন:

একটি গল্প দিয়ে আজকের শুরু।

“ইরান” দেশের একজন শিশু নাম তার আলী। মা-বাবার শখ ছেলেকে কুরআনের হাফেজ বানাবেন। আর তাই হেফজ্ মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেন পড়ার জন্য। শিশু আলী’কে মা জত্ন করে বলে বাবা তুমি কোরআন হাফেজ হলে অনেক বড় আলেম হবে, আল্লাহ তায়ালা তোমার জন্য জান্নাত রেখেছে, আল্লাহ তায়ালা তোমাকে নিজ হাতে তোমার মাথায় তাজ পড়িয়ে দেবেন, আরো কতো কি! এগুলো শুনে আলী হেফজকে মনযোগ দিয়ে আন্তরিকতার সাথে পড়তে শুরু করে। বেশ ভালোই মেধা ছিলো তার। অল্প সময়েই একতুত্বীয়াংশ কোরান মুখস্ত করে ফেলে আলী।

হঠাৎ একদিন আলী মাদ্রাসায় অনুপস্হিত। শিক্ষক ভাবলেন হয়তো অসুস্হ, দ্বিতীয় দিনও অনুপস্হিত, তৃত্বীয় দিন অনুপস্হিত থাকায় হাফেজ সাহেব নিজেই তার বাড়ি গিয়ে দেখে আসবেন বলে পরিকল্পনা করেন।

আলীর বাড়িতে গিয়ে শিক্ষক হাফেজসাহেব আলীকে অনুপস্হিতিীর কারন জানতে চাইলে সে বলে, আমি আর হেফজ পড়বোনা হুজুর, হুজুর বলেন কেনো পড়বেনা বাবা আলী, কি হয়েছে তোমার?

আমি বুঝতে পেরেছি হেফজ পড়ে কোনো লাভ নেই, এটার কোনো দাম নেই। কে বলেছে, কি হয়েছে বাবা?  শিক্ষক জানতে চাইলেন। আলী কাঁদতে কাঁদতে শিক্ষককে ঘটনা বিস্তারিত বলে।

শিক্ষক হুজুর আলীকে বলেন কালকে তুমি মাদ্রাসায় আশ। আমি তোমাকে একটা জিনিষ দেখাবো।

আলী পরদিন মাদ্রাসায় গিয়ে সোজা হুজুরের কক্ষে চলে যায়।

আলীকে দেখে একটা মিষ্টি হাসি দিয়ে একটা সাদা চকচকে পাথর তার হাতে দিয়ে বলেন, আলী তুমি যখন এসেছ তাহলে একটু কষ্ট করে এটা নিয়ে যাও বাজারে গিয়ে এটার মুল্য কতো পাওয়া যায় তা একটু পরখ করে আস। তবে হ্যা এটা কিন্তু সাধারন পাথর নয় অনেক মুল্যবান পাথর। ফেলে দিওনা যেনো। আচ্ছা হুজুর এটা বলেআ লি হুজুরের কথামতো পাথরটি নিয়ে বাজারে তার মুল্য জাচাই করার লক্ষে চলে যায়।

আলী কেনো মাদ্রাসায় আসা বন্ধ করে দেয়? কেনইবা কোরান হেফজ শিখতে অনিহা প্রকাশ করে? শুনুন তাহলে:

সেদিন মাদ্রাসা শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে তার পায়ের জুতা ছিড়ে যায়। আলী যাওয়ার পথে  বাজারে গিয়ে জুতো সেলাই করতে  মুঁচির দোকানে যায়। তার নিকট যথেষ্ট টাকা না থাকায় মুচিকে বলে আমি একজন কোরানের হাফেজ পড়ুয়া ছাত্র। আমার নিকট আপনাকে দেবার মতো যথেষ্ট অর্থ,নেই আমি আপনাকে পবীত্র কোরান হতে একটি সুরা তিলাওয়াত করে শুনাবো আপনি দয়াকরে আমার জুতাটা শেলাই করে দিন। কিন্তু মুচি তাকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে এবং বলে ফাজলামি করতে এসেছ। তোমার কোরান তেলাওয়াত শুনে আমার লাভ নেই, আমাকে টাকা দিতে হবে যাও টাকা নিয়ে আস। আর তাতেই আলীর মন খারাপ হয়ে যায়। সে সিদ্ধান্ত নেয় যে কোরান সে হেফজ করবে তার তো কোনো মুল্যায়ন ই নেই দেখাবযায়, তাহলে কেনইবা আমি হেফজ পড়বো!

আলী বাজারে গিয়ে যেহেতু প্রথমেই মুচির দোকান তাই মুচির নিকটই সেই পাথরটি নিয়ে য়ে যায় ল, তাকে বলে ভাই আমার নিকট একটা মুল্যবান পাথর রয়েছে আপনি কি এটা ক্রয় করবেন?

মুঁচি তাকে দেখে গোষ্যায় বলে তুমিতো বড্ড চতুর দেখছি, আমাকে বোকা বানাতে সেদিন এসেছিলে, টাকাছাড়া জুতোবশেলাই করতে, ফের আজ এসেছ একটা পাথর নিয়ে তা আবার বলছো অনেক দামি পাথর।  আমি কি এতোই বোকা যে তোমার চতুরতা আর ধোকাবাজি বুঝতে পারবোনা। আমি টাকাদিয়ে কড়িয়ে পাওয়া সামান্য একটা পাথর কিনে নেবো? যাও এখান থেকে ধোকাবাজ ছেলে। এ বলে তাকে তাড়িয়ে দেয়। আলী মন খারাপ করে ভাবতে থাকে তাহলে হুকুর মশাই আমাকে যে বল্ল এটা নাকি অধীক মুল্যবান পাথর, চলে যাবো নাকি,  কিন্তু শিক্ষক যে বল্ল এটার মুল্য জাচাই করতে! একটু এগিয়ে যায় আলী শাহষ করে শ্বর্নের দোকানে প্রবেষ করে। শ্বর্নকারকে পাথরটি এগিয়ে দুয়ে বলে, আমার এই পাথরখানার মুল্য কতো, আপনিকি এটা ক্রয় করবেন?

শ্বর্নকার বলে তুমি এটা কোথায় পেয়েছ বাবা। এটাতো অধীক মুল্যবান পাথর। এটার মুল্য অনেক বেশি, তুমি তোমার গাইডিয়ান কাউকে অথবা বাবাকে নিয়ে এসো আমরা এটা ক্রয় করবো। এ বলে পাথর খানা আলীকে ফিরিয়ে দেয়। আলী খুব আশ্চর্য বোধ করে।একটা পাথর তার নাকি অনেক মুল্য। তাহলে মুঁচি যে বল্য সাধারন পাথর, এটার কোনো দাম নেই।

পাথর নিয়ে হুজুর মশাইয়ের নিকট ফিরে আশে আলি।

আলি এসেছ, কেমন মুল্য রয়েছে বাজারে এই পাথরটির?

আলী বলে, জনাব আমি যখন মুচির নিকট পাথর খানার মুল্য যানতে চাই তখন সে আমাকে সেদিনের মত বকাঝকা দেয়, এবং বলে এটা নাকি কুড়িয়ে পাওয়া একটা সাধারন পাথর। আমি নাকি তার সঙ্গে ধোকাবাজি করছি। এর পর আমি শ্বর্নের দোকানে পাথরটি দেখালে তিনি বল্লেন এটা অনেক মূল্যবান পাথর। এর নাকি অনেক দাম। আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা!

হুজুর মশাই তখন আলীকে বল্লেন। দেখ আলী এটা একটা হিরার টুকরা, তুমিকি হিরার নাম শুনেছ? জি হুজুর শুনেছি কিন্তু দেখিনি, এই প্রথম দেখলাম। একজন মুচি বল্ল এটার কোনো মুল্য নেই যদিও এটার মুল্য অনেক বেশি হয়তো তার সাধ্যের বাহিরে, এই হিরার টুকরোটি সে কখনো কিনতে পারবে বলেও মনে হয়না। সে যেমন একটি মূল্যবান হিরাকে তুচ্ছগ্যান করেছে, তেমনি সে তোমার ভেতর থাকা অমুল্য পবিত্র কোরানের বানিকেও তুচ্ছ হিসেবেই অবহেলা করেছে। এই হিরাটা তাকে যদি বওনা মূল্যেও দেয়া হয় তথাপিও সে তা গ্রহন করবেনা কারন সে মনে করবে এটা কেবলই একটা পাথর। যেমনটি সে তোমার মুখহকৃত কোরানের তেলাওয়াতকে মনে করেছে।

অথচ তোমার মুখস্তকৃত কোরানের মুল্য কেহই পরিশোধ করতে পারবেনা কোনোদিন।

প্রবাদে রয়েছে অপাত্রে কন্যাদান।

এর পর থেকে আলী ফের নিয়মিন মাদ্রাসায় হেফজ শিখতে আশে।

এতো লম্বাবএকটা  লিখনির মুল লখ্য হচ্ছে। আমরা ড:মুহাম্মদ ইউনুস সাহেবকে সেই মুচির মত চিনতে পারছিনা যদিও তিনি আসলে একটা রত্ন। তিনি একে একে দেশের ও দশের জন্য যা করে যাচ্ছে আর তা অকল্পনিয়। পূর্বে বা পরবর্তীতে এৃন মিরাক্কেল হয়েছিলো বা হবে এটা অসম্ভব। তাঁর মুল্যায়ন কোননএক সময় বাংলাদেশও করেছিলো দিয়েছিলো উপাধী। কিন্তু এখন স্বার্থান্যাশি কিছু মহল তাঁকে সরিয়ে নিজেদের পঁজিবাদের পথ সুগম করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। করা হচ্ছে নানা সমালোচনা, কৃটিসিজম।

কিন্তু সাধারন জনগনের চাওয়া কি? তারাকি ড:ইউনুসকে দীর্ঘ সময় খমতায় দেখতে চায়? নাকি রাজনৈতিক কোনো দলকে খমতায় বসাতে চায়? জাতিকে আরেকবার গর্জে উঠতে হবে অকপটে জানাতে হবে নিজের অধীকারেট কথা।

আসলে আমরা বাঙ্গালি জাতি নিজেদেরকে বিক্রি  করে অন্যের স্বার্থ শিদ্ধির জন্য নিজ দেশের ক্ষতিতে উৎবুদ্ধ হই। যেখাবে ভারতের মতো দেশ মুসলিম সম্পদায়ের ড:আবুল কালাম সাহেবকে প্রেসিডেন্ট বানিয়েছিল তাদের দেশের স্বার্থে।

আর আমরা কিনা বিশ্বের নিকট মূল্যায়ন প্রাপ্ত একজন ব্যাক্তিকে রাষ্টনায়ক পদ থেকে সরাতে উঠেপরে লেগেছি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD