সপ্তাহের বেশি পেড়িয়েছে ইসরাইল – হামাস চলমান সংঘাতের। পাল্টাপাল্টি হাৃলায় বিরাজ করছে ভয়াবহ পরিস্হিতি। দুপক্ষের সমর্থন ইস্যুতে গোটা বিশ্বের মতপার্থক্য ষ্পষ্ট। সময়ের সাথে বাড়ছে দুপক্ষের সমঝোতার তত্পরতা। যুক্তরাষ্ট-যুক্তরাজ্যের মত বিশ্বমোরলরা নিশ্কৃয় হলেও সমাধানের পথ খুঁজছে আনেক দেশ। ইসরাইলের সাথে সমর্থন দেয়া পশ্চিমা দেশগুলো মুখে সংকটের কথা বল্লেও অস্ত্র পাঠিয়ে উসকে দিচ্ছে বলেও মনে করা হচ্ছে।
কুটনৈতিক দেশগুলোর মধ্যে যে দেশগুলো যুদ্ধ সমাধদানে ভুমিকা রাখতে পারে তাদে মধ্যে চিনকে অন্যতম বলে বিবেচনা করছেন বিশ্লেষকরা। এদিকে নিজেদের মধ্যস্ততায় নিরপেক্ষ বলে যানান দিয়েছেন ব্যাইজিং। যোর দিয়েছে স্বাধীন ফিলিস্তানি রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠার উপর। মিশরের সাথে সমন্যয় করে মধ্যস্ততার আহবান যানিয়েছে সি জিং পিং প্রশাষন।

ব্যাইজিং জানায় উভয় পক্ষের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি আমরা। গাজায় জরুরি পন্য সামগ্রী সরবরাহ অব্যাহত রেখেছি । অব্যাহত রেখেছি মানবিক সহায়তা। ইসরাইলের মতো ফিলিস্তিনের ও রয়েছে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের অধিকার। ফলিস্তিনি ইস্যুতে চীন সবসময় শান্তি,ন্যায়বিচার, আন্তর্জাতিক আইন এবং বেশিরভাগ দেশের মানুষের আকানক্ষার পক্ষে অবিচল থাকবে। বিরোধ নিশ্পত্তিতে তুরস্ক ও ভুমিকা রাখতে পারে বলেও মন্তব্য করছেন অনেকে।
একমাত্র নেটোর সদস্য হিসেবে হামাস ও তেলাবিবের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে আনকারার। গাজায় ইসরাইলের হামলাকে গনহত্যা আক্ষা দিলেও সংঘাত নিরশনে সব রকমের চেষ্টা চালিয়ে যাবে বলে যানিয়েছেন এরদোগান।
প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন সংঘাত থেকে বের হতে সর্বাত্যক চেষ্টা করছি। সব পক্আষের সাথে এ নিয়ে চলছে আলোচনা।
মধ্যস্হতার আলোচনায় রুস প্রসিডেন্ট বিলাদিমির পুতিন ও নিজেদের অবস্হান তুলে ধরেছেন। তবে ইউ ক্রেন যুদ্ধ বিসয়কে কেন্দ করে প্রষ্নবিদদ্ধ এইশক্তিধর দেশের ততপরতা কতটুকু কার্যকারিতা হবে এনিয়েও দীমত রয়েছে।
Leave a Reply