নিজস্ব সংবাদাতা:
শুক্রবার সন্ধ্যায় নরসিংদী শাটির পাড়া ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করা হয় গৃহবধূ মানসুরার গলা কাটা লাশ।আহাজারীতে চারপাশ যেন ভারী হয়ে আসছে। মেয়ের মৃত্যু শোকে পাগল প্রায় বাবা। স্বজনরা জানান মানসুরার স্বামী মোশিউর রহমান হিমেল দুপুর থেকে স্ত্রীকে কল করেও না পেয়ে শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে জানান। পরে মানসুরার বড় ভাই ও প্রতিবেশীরা মনসুরার ঘরে গিয়ে দরজা খোলা অবস্থায় একটি কক্ষে মানসুরার গলা কাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
মানসুরার ভাই জানান, “আমি বেলা পোনে একটার দিকে বোনকে ফোন করি এবং ভাগ্নি রিসিভ করে আর সে জানায়,’আম্মু ঘর মুছতেছে এখন আম্মুকে মোবাইল দেওয়া যাবে না’ ২৫ মিনিট পর আমি আবার দুবার কল করি কলটি রিসিভ হয়নি।”
মশিউর রহমান হিমেলের ভাই জানায় , “আমাদের জানামতে,ভাবি এবং ভাইয়ের কোন শত্রু নেই কেননা তারা সর্বদা মা-বাবা এবং প্রতিবেশীর সাথে ভালো ব্যবহার করতো।”
এলাকাবাসীরা জানায় “আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাকারীদের জন্য দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি ।”
খবর পেয়ে লাশটি পুলিশ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহেব আলী জানান, “এই ঘটনার পেছনে কী রহস্য রয়েছে খুব তাড়াতাড়ি উদঘাটনের জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি । আশা করি খুব তাড়াতাড়ি আমরা এই ঘটনার পেছনে কারা জড়িত আছে এবং এর মূল রহস্য উদঘাটন করতে পারবো।”
নিহত মানসুরার স্বামী শাটির পাড়া কালী কুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
News Independent24
Leave a Reply