ফিলিস্তিনি মুজাহিদ বাহিনি হামাসকে (এক সঙ্গে ১৩ বোম বহনে সক্ষম) ড্রোন “গাজা” উপহার দিয়ে সহযোগিতা করছেন ইরান।
ইরানের এক কুচকাওয়াজ অনুস্ঠানে ইরান প্রেসিডেন্ট রাইসি আরো বলেন, ফিলিস্তাইনের উপর আর যদি অন্যায় ভাবে নিষংশ হামলা করা হয বা গাজাকে সহযোগিতার কারনে ইরানের উপর যদি কোনো প্রকার আক্রমনের পরিকল্পনা করা হয়, তাহলে ইয়াহুদিবাদি সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দুই হবে ইরানি সামরীক বাহিনির লক্ষবস্তু।
ইরান প্রেসিডেন্ট ইব্রাহীম রাইসি ইসরাইলকে হুশিয়ারি করে আরো বলেন এমন কেনো পরিস্হিতি তৈরি হলে তেলআবিবে স্বসস্ত্র হামলা করবে ইরান। ইসরাইলের যে কোনে পদক্ষেপকে নিবিঢ় ভাবে পর্যবেক্ষন করছে ইরান।
যদিও গেল কিছুদিন পুর্বে ইসরাইল ঘোষনা করেছিলো, যদি ফিলিস্তিনি ইস্যুতে কোনদেশ হস্তক্ষেপ কীে তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যাবস্হা নিবে তেলআবিব।
পবীত্র মাহে রমযানে ১৫ এপ্রিল ইয়াহুদি সরকার ফিলিতিনের নিরীহ মুসলমানদের উপর আতর্কিত সামরীক হামলা করে। মুসলিমদের প্রথম কেবলা মসজিদুল আকসাতে প্রবেস করতে নাদেয়া থেকে শুরু করে, গোলাগুলি ও আক্রমন চালায় ইহুদি সরকার। মসজিদে কেবল ৫০ উর্ধো বয়সীরা প্রবেশ করতে পারবে বলেও রুল জারি করা হয়। সেখানে নারি, শিশু সকলের উপর আক্রমন করে তারা। এতে অনেকে শহিদ হন। ৫৯জন আহত হয়। প্রায় প্রতি বছরই এমন নিষংশ হামলা করা হয়েথাকে ফিলিস্তিনিদের উপর।
বিশ্বের মুসলিম দেসগুলো থেকে জোড়ালো কোনো প্রতিবাদ না করলেও এবার বসে থাকেননি ইরান।
ইরান ইসরাইলকে হুসিয়ারি করে বলেন, যদি অন্যায় ভাবে আর নিরিহ ফিলিস্তিনিদের উপর নিষংশ আক্রমন করা হয় তাহলে ইসরাইল হবে ইরানি সামীরূক বাহিনির লক্ষবস্তু।
Leave a Reply