শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হাদিকে গুলি করা দুর্বৃত্ত গোয়েন্দাদের হাতে তৃতীয় বারের মতো পেছাল খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রা যা বললেন জাহেদ উর রহমান নির্বাচনের আগে দেশে ফিরবেন না তারেক রহমান ভালোবেসে বিয়ে অত:পর চীর বিদায় শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা দিলেন বিচারক গোলাম মর্তুজা, কেএই দুঃষাহশি ব্যক্তি কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযান, বিপুল ভারতীয় পণ্য জব্দ বাহরাইন প্রবাসী সাংবাদিক শাহিন শিকদার ইন্তেকাল করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি রোধে নতুন ব্যবস্থা আফগানিস্হানে ভূমিকম্পে চাপাপরা ণারীদের উদ্ধার করছেন না উদ্ধারকর্মিরা রাজবাড়ীতে নুরু পাগলার মাজারে হামলা, লাশতুলে পুড়িয়ে ফেলে জনতা

বাসর রাতে স্ত্রীর সতীত্যনিয়ে স্বামীর সন্দেহ – কেন?!

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৪ মে, ২০২২
  • ১৮৯০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বিবাহের পর পর অধিকাংশ নববধু  স্বামীর সন্দেহের স্বীকার হয়েথাকেন।  তাছাড়া নানাহ পারিবারিক সমস্যা  নানা ধরনের প্রশ্নের সম্মুখিন হন। তার সমাধান আশাকরি আজ পেয়ে যাবেন।

স্পর্শকাতর একটি বিষয় আজ তুলে ধরছি যা অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন আমাদের জীবনে ও শিক্ষনিয়।আশাকরি ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন।

পৃথিবির প্রায়সই এমন একটি কথা আমরা শুনে থাকি বা নানা ভাবে যেনে থাকি তা হলো নারিদের ভারজিনত্ব নিয়ে।

একজন পুরুষ সে চায় একজন সতি নারিকে বিবাহ করতে। যেন তার স্ত্রী সৎ  বা ভারজিন হয়।

আর তার প্রমান বা পরীক্ষা হিসেবে মানুষের মাঝে একটি ভুল ধারনা রয়েছে তা হলো বাশর রাতে প্রথম সহবাসের সময় রক্তপাত ঘটলেই বুঝাযাবে স্ত্রী সতি/ ভার্জিন না অসতী।

কারন মেয়েদের লজ্যাস্হানে ভেতরে একটি পর্দাথাকে যাকে বলাহয় সতীছ্যেদ বা হাইমেন পর্দা। আর প্রথম সহবাসের সময় এই পর্দা ফেটে যায় এবং তা হতে রক্তক্ষরন ঘটে। আর তখনই কোনো নারিকে আমরা সতি বা ভার্জিন বলে মনে করি। আর রক্তপাত না ঘটে থাকলে মনে করা হয় মেয়েটি অসতি।

এমনকি এই কারনে অনেক সংসারে নেমে আসে অসান্তি ও কলোহ। স্বামি স্ত্রীর মাঝে শুরু হয় সন্দেহের ঝর, প্রতিনিয়ত চলতে থাকে ঝগরা-বীবাদ।

পুর্বের মিশরিয় এবং আফ্রিকার কোনো কোনো দেশে এমন এমন প্রথা ছিল যা শুনলে আপনার চোখ কপালে উঠে যাবে।

মিশরে কোনো ছেলেকে বিবাহ দেয়ার পর তার পরিবার পরিজন বিছানায় সাদা চাদর বিছিয়ে দিতেন এবং খুব ভোরে সেই চাদর তুলে নিয়ে পরিবারের মহিলারা দেখতেন এতে রক্তের দাগ রয়েছে কিনা।

এমনকি আফ্রীকার কিছু দেশে নববধুর সতীত্য পরিক্ষা করতে প্রথম রাতে করা হত জৌনি পরীক্ষা।

প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের কল্যানে ধাপে ধাপে মানুষের জ্ঞানের প্রসার ঘটলে এখন আর এমন অযৌক্তিক তথ্যের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়না। নারিদের আর করা হয়না অবহেলিত অসন্মানিত।

আমাদের মনে রাখতে হবে আল্লাহ আসরাফুল মাখলুকাত হিসেবে মানবজাতিকে ষৃস্টি করে নারি জাতিকে সন্মানিত করেছেন মায়ের জাতি হিসেবে, যার পদতলে রেখেছেন সন্তানের জন্য জান্নাত। তাই তাঁদের সমান করতে হবে অবহেলা নয়।

এবার আশাযাক নারির ভার্জিন বিষয়ে মেডিকেল সাইন্স কি বলেঃ একজন নারির বিবাহের প্রথম সহবাসে রক্তপাত না হলে সেকি অসতি??

কখনই না!  তাহলে কি??

মেডিকেল সাইন্স এর মতে নারির যৌনির মুখে থাকা সতিচ্ছেদ বা হাইমেন পর্দা ফেটে গেলে তা হতে রক্তপাত হয়ে থাকে। কারন এই হাইমেন পর্দা অত্যন্ত সুক্ষ/পাতলা হওয়ার কারনে সহজেই তা ফেটে যায়।

এই সতিচ্ছেদ বা হাইমেন পর্দা ফেটে যাওয়ার নানাহ কারন রয়েছে বলেও বিজ্ঞানে প্রমানিত।

মেয়েদের প্থম পেরিয়ড বা মাসিক শুরু হওয়ার সময় এই পর্দা ফেটে যেতে পারে।

এবং মেডিকেল সাইন্স মতে কোনো মেয়ে যখন খেলাদুলা করে, সাতার কাটে বা নিত্যশিখে লম্ফঝম্ফ দেয়া বা যোরেযোরে তাটাচলা করা নানাহ কারনে তার হাইমেন পর্দা ফেটে যেতে পারে। ফুটবল খেলা, দরি লাফ, কুতকুত, নিত্যশিখা, গাছে উঠা, জিমনাস্টিক এসকল কারনেও হতে পারে।

কোনো ভারি কিছু উঠানোর কারনেও মেয়েদের হাইমেন পর্দা ফেটে যেতে পারে যেমন জিম করার সৃয় ভারি ওজন উঠানো, গ্রামের মেয়েরা ভারি পানি ভতি কলসি কাকে উঠানোর সময়, গৃহস্তির কাজের সময় ধানের ভারি বস্তা উঠানো ইত্যাদি।

এবং কোনো প্রকার দুর্ঘটনার কারনেও এই পাতলা পদাটি ফেটেগিয়ে মেয়েদের পেরিওড আকার ধারন করতে পারে।

এমনকি বয়সের সাথে সাতে তার দৈহিক বৃদ্ধির কারনেও মেয়েদের সতিছেদ পর্দাটি বেড়ে যেতে পারে যার কারনে প্রথম সহবাসে কোনো রক্তপাত না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মেডিকেল সাইন্স আরো বলছে প্রত্যেক নারির জৌনিতে এই পর্দা রয়েছে এমনটির প্রমানও শতভাগ নেই।

অতএব কেবল মাত্র বিবাহের প্রথম রাতে / বাসর ঘরে প্রথম সহবাসের ক্ষ্যত্রে রক্তপাত হতে হবে এমন কোনো শতভাগ লজিকেল/যৌক্তিকতা নেই। এতে কোনো স্বামীর মন খারাপ করার কোনো কারন নেই যে, সে ভার্জিন বা সতি স্ত্রী পায়নি!রংচ তার স্ত্রী সতি ও ভার্জিন এটাই সত্য।

এমন মনভাব হতে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। ও নারিদেট সন্মান করতে হবে। কারন ওরা মায়ের জাতি। ইসলাম ও এমনটিই বলে।

তাই এমন কারনে একজন সতীনারিকে তার সতিত্য নিয়ে কোনো কথা বলা যাবে না বা তাকে অসতি বলে ধারনা করা যাবে না।

হাদিসে রয়েছে তুমি যাহা দেখনি যার সত্যতা যানোনা তা নিয়ে সন্দেহ করা সবচাইতে বড় মিথ্যাকথা। আল হাদিস

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD