এস কে হুসাইন: মৃর্তুর স্বাদ প্রতিটি সৃর্ষ্টিকে-ই গ্রহন করতে হবে। যদিও কোনো প্রণি-ই মরন চায়না, চায় বেঁচে থাকতে।
সৃষ্টিলগ্নথেকে যে জন্মেছে তাকেই মরতে হয়েছে ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায় হোক। এটা চীরন্তন সত্য।
পবীত্র কোর-আনে আল্লাহ তায়ালা বলেন: কুল্লু নাফসুন যা-য়েকাতুল মাউত।
প্রতিটি সৃষ্টিকে-ই মৃর্তুবরন করতে হবে।
প্রতি নিয়ত আমাদেরকে মরন তাড়িয়ে বেরাচ্ছে। আমাদের আয়ু কমছে, মৃর্তুর নিকটবর্তি আমরা হতে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত। আমরা বলি বয়স বাড়ছে। আসলে বেঁধে দেয়া একটা সিমিত সময় হতে আমাদের বয়স হতে আয়ু কমছে। ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দ বলে দেয় একটি সেকেন্ট কমে গেলো বুঝি।
আল্লাহর সৃষ্টি জগতের কোনো প্রানি মরন চায়না, শেষ মুহুর্ত অবদি বেঁচে থাকার জন্য চেষ্টা করে যায়। আয়ু থাকলে বেঁচে যায়, আয়ু শেষ হয়ে গেলে পরপারে চলে যায়।
কোর-আন বলছে মৃর্তুর স্বাদ সকল প্রানি গ্রহন করবে, এটা অবধারিত।
প্রতিটি জিনিশের মাঝে ব্যাতিক্রম ধর্মি স্বাদ থাকে। এখানে কষ্টের স্বাদ বুঝানো হয়েছে।
জনৈক ডক্টর তাঁর এক আলোচনায় বলেন, মানুষ ষখন হার্ট এটাক করে তখন তার মনে হয় এখনই সে বুঝি মারা যাবে, তার বুকের উপর হাতির পারা পরেছে এমন চাপ অনুভব করে, হাতের নার্ভ শিনশিন করতে থাকে। কেউ কেউ আজরাইল অ: কেও মনের ভয়ে দেখতে পায়। হয়তো সে বেঁচে যায় নয়তো না। কিন্তু ওই মুহুর্তটা মৃর্তু যন্ত্রনার একটি নমুনা।
কোনো কোনো আলেমগন বলেন, রুহ কবজ করতে আশা আজরাইল (অ:) খুব সহজেই রুহকে দেহ থেতে ছিনিয়ে নিতে পারেন না। তাঁকে রুহকে দেহ থেকে আলাদা করার জন্য, শরিরের পায়ের আঙ্গুল থেকে পিটিয়ে পিটিয়ে দেহকে অচল করে, অতপর রুহ টাকে ধরতে হয়। কতো কঠীন মুহুর্ত ভীষন বিষন্নতার মুহুর্ত। পুরো পৃথিবী যেনো উড়ছে, পমথিবি যেনো ঘুড়ছে। কিছু বলার সাদ্ধ নেই সেই মুহুর্তে। আজরাইলঅঃ এর হাত থেকে নিজেকে বাঁচানোর মতো কোনো শক্তি, কোনো পথ নেই তখন।
প্রথিবীর প্রতিটি প্রানি মারা যাবে। পশুপাখি, গাছ-পালা, সৃষ্টির স্রেষ্ট জীব মানুষ মরেযাবে, জ্বীন যাতি, এমনকি সকল ফেরেশতাগন মারাযাবে।
যিনি সকল প্রণিকুলের রুহ কবজ করলে, আজরাইল (অ:) সর্বশেষ তিনি নিজেও মারা যাবেন। আল্লহ তায়ালা একক সত্তার বহি:প্রকাশ ঘটবে। আল্লাহ তায়ালা বলবেন কোথায় আজ নিজেকে বড় দাবি করা সেই মানুষগুলো।
আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করুক। আমিন
Leave a Reply