ভারতের হাত থেকে ছুটেযাওয়া শ্রীলংকার কলোম্বোর সমুদ্র বন্দর এখন বাংলাদেশের হাতে।
দীর্ঘদিন গৃহযুদ্ধে শেষ হয় ২০০৯ সালে এরপর নতুন করে স্বে্ন দেখতে থাকে তারাএশিয়ার বানিজ্যিক হ্যাবে পরওনত হওয়ার।
শ্রীলংকা তাদের কলোম্ব সমুদ্রবন্দর ও হাবানথোটা সমুদ্রবন্দরকে কাজে লাগিয়ে সিংগাপুরের মতো নিজেকে বানিজ্যিক হ্যাব হিসেবে উপস্হাপন করতে চেস্টা করতে থাকে। ভৌগোলিক অবস্হানটাও ছিলো শ্রীলংকার পক্ষে। ভৌগোলিক ভাবে শিম্গাপুরের চাইতেও ভালো অবস্হান ছিলো শ্রীলংকার। মিডেলইস্ট ও সাউথইস্ট এর মাঝামাঝি ছিলো এই বন্দরের অবস্হান।
শ্রীলংকা সেইহিসেবে সমুদ্রটার্মিনাল ও বিমান বন্দরও বানিয়ে নেয় সেখানে। কিন্তু শ্রীলংকা শরকারের এই পরিকল্পনা খুব খারাপভাবে ফ্লপকরে। চীন থেকে নেয়া লোনের অর্থ উপার্জন না হওয়ায় শ্রীলংকার একটি বৃহত বন্দর চীনকে দিয়েদেয় তারা। এদিকে ভারতপ ২০১৯ সালে জাপানের সহযোগিতায় একটি বন্দর টার্মিনালের চুক্তি করে শ্রীলংকার সাথে। কেননা তাদের অর্থনৈতিক মন্দা দিনের পর দিন বেড়েই চলছিলো। ভারতের সঙ্গে চুক্তির পর সেখানকার জনগন প্রতিবাদ জানায়। পরে জনগনের চাপের মুখে পরে ভারতের সঙ্গে চুক্তিটি বাতওল করে দেশটির শরকার।
পরবর্তিতে পরোক্ষভাবে বাংলাদেশকে শ্রীলংকা অফার করে কলোম্বো পোর্ট ব্যাবহার করার। কেননা বাংলাদেশের যেভাবে বিদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ বাড়ছে এতে শ্রীলংকার কলোম্পোবর মতো একটি পোর্টেরও প্রয়োজন রয়েছেবলে অনুমান করা হচ্ছে। বাংলাদেশকে নিচুকরে দেখা দেশ ভারতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাংলাদেশ অনায়াসে এগিয়ে যাচ্ছে বলেই বিশারদগনের মন্তব্য।
Leave a Reply