জনবহুল অঞ্চলে ধেয়ে আসচে শক্তিশালী ঘুর্ণিঝড়। একে বিরল বলে আখ্যায়িত করেছে আবহাওয়াবিদরা। কারণ গত পঞ্চাশ বছরে এরকম কোনো সাইক্লোনের কোনো দেখা মেলেনি।শক্তিশালী এই ঝড়টির প্রভাবে ঘন্টায় একশো পঞ্চান্ন কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় আলফ্রেড। দেশটির কুইন্সলেন্ড এবং নিউ সাউথ অয়েল্স এ ৫০০ উপকূলীয় এলাকায় এর প্রভাব পড়তে পারে। ৬ই মার্চ আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানা যায়। কাতার বিত্তিক সংবাদ মাধ্যমটি জানায় স্লাইকোন আালফ্রেড ক্যাটাগরি -২ ঝড় হিসেবে ৭ই মার্শ অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় বৃহত্তর শহর
ব্রিচবেনের কাছে আচলে পড়তে পারে। এর ফলে পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বেশ কিছু অঞ্চল । সর্তকবার্তায় স্হানীয় কতৃপক্ষ জানায় স্লাইকোনের প্রভাবে ব্যাপক বৃষ্টি হতে পারে।যা জীবনহানিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে ৯দিন আগে ঘূর্ণিঝড় আলফ্রেড ৫ মার্চ পর্যন্ত উপকূল থেকে মাত্র ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। এবং ঘন্টায় সর্বোচ্চ ১৬৫ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা বাতাসের সাথে পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাচ্চে। আক্রান্ত অঞ্চলের কিছু জায়গায় ৮০০মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যা মার্চের গড় বৃষ্টিপাতের চেয়ে অনেক বেশি।
কুইন্সলেন্ডের মূখ্যমন্ত্রী জানান কুইন্সলেন্ডের জন্য এটি খুব বিরল একটি ঘটনা। গত কয়েক দশকে রাজ্যের এই অঞ্চল কোনো স্লাইকোনের মুখোমুখি হয়নি। দক্ষিণ -পূর্ব কুইন্সলেন্ড এবং উত্তর -পূর্ব অয়েল্সে সর্বশেষ ১৯৭৪ সালে স্লাইকোন আাঘাত হেনেছিল। অপরদিকে কুইন্সলেন্ডের রাজধানী ব্রিজবেন সর্বশেষ স্লাইকোনের হুমকিতে পড়েছিল ১৯৯০ সালে কিন্তু অল্পের জন্য স্লাইকোনটি আঘাত হানেনি। ব্রিজবেন সিটি কাউন্সিল জানায় ব্রিজবেনের প্রায় ২০ হাজার বাড়ি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। স্লাইকোন আসার খবরে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ বাড়ি থেকে সরে গেছে। এদের জায়গা করে দিতে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র খুলছে স্হানীয় সরকার।
Leave a Reply