শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হাদিকে গুলি করা দুর্বৃত্ত গোয়েন্দাদের হাতে তৃতীয় বারের মতো পেছাল খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রা যা বললেন জাহেদ উর রহমান নির্বাচনের আগে দেশে ফিরবেন না তারেক রহমান ভালোবেসে বিয়ে অত:পর চীর বিদায় শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা দিলেন বিচারক গোলাম মর্তুজা, কেএই দুঃষাহশি ব্যক্তি কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযান, বিপুল ভারতীয় পণ্য জব্দ বাহরাইন প্রবাসী সাংবাদিক শাহিন শিকদার ইন্তেকাল করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি রোধে নতুন ব্যবস্থা আফগানিস্হানে ভূমিকম্পে চাপাপরা ণারীদের উদ্ধার করছেন না উদ্ধারকর্মিরা রাজবাড়ীতে নুরু পাগলার মাজারে হামলা, লাশতুলে পুড়িয়ে ফেলে জনতা

ভৌতিক গল্প “সেই রাতটি”

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১
  • ১২৭৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 সেই রাতট
গল্পের লেখকঃশেখ সামিরা হোসাইন
শব্দ সংখ্যাঃ ৩৭০
……………………….

রহিম মিয়ার গ্রাম একটি নদীর পরেই।রাত ১০টায় ড্রাইভার তাকে বিদঘুটে অন্ধকারে নামিয়ে দিয়ে চলে গেল। তিনি টর্চটা বের করে অন্ধকারে হাটতে লাগলেন।তখন ঘড়িতে তাকিয়ে অবাক হয়ে গেলেন, কিছুক্ষন আগেইতো ১০টা ছিল, মুহর্তেই ১১টা বেজে গেলো!! আশ্চর্য! চারপাশে পাটক্ষেত ছাড়া কিছুই দেখা যাচ্ছিলো না। গা ছমছমে ভাব।প্রথমে ভয় না পেলেও এখন কিছুটা ভয় লাগছে।মনে হচ্ছে পেছন পেছন কেউ আসছে।ভয়ের চোটে দাঁড়িয়ে আস্তে পেছনে তাকাতেই দেখেন কেউ নেই। রহিম মিয়া বলল,

– ধুর, এটা আমার মনের ভয়।একা একাতো এজন্য ভয় লাগছে।

নদীর ধারে এসে দেখে একটি নৌকা বাধা আছে । ভাবতে লাগলেন কিভাবে বাড়ি যাবে?নৌকা আছে কিন্তু মাঝি নেই।আবার তাকাতেই দেখে একটা ছেলে বসে আছে। এইমাত্রইতো কেউ ছিলো না মাঝিটা আবার কখন আসলো? এবার তার খুব ভয় করছে।
মাঝিটা তাকে ডাক দিয়ে বলল,
– নদীর ওইপাশে চিলপাড়া যাইবেন তাইনা?

– হ্যা,যাব। কিন্তু তুমি কিভাবে জানো?

– আমি জানমু না তো কেডা জানবো? একটা চিলতে হাসি দিয়ে বলল মাঝি।

রহিম মিয়া নৌকায় উঠে ভয়ে ভয়ে বলল

– আচ্ছা তুমিতো তখন নৌকাতে ছিলে না আবার কখন চলে আসলে?

– বেশি প্রশ্ন কইরেন না, সমস্যা হইতে পারে।

– তুমি ওই ছেলেটা না! যে একবছর আগে গ্রাম থেকে নিখোঁজ হয়েছিলে? বুকে সাহস নিয়ে বলল রহিম মিয়া।

– হ্যা। আমি হিরন।

– তুমি আবার কোথা থেকে ফিরে এসেছো।

হিরন কিছুই বলল না,শুধু তার দিকে তাকিয়ে অদ্ভুত একটা হাসি দিল।

রহিম মিয়া অবাক হয়ে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে রাত ১ টা বেজে গেছে!

– রাত ১টা বাইজা গেছে তাই না?

– তুমি কিভাবো জানো?
অবাক হলেন রহিম মিয়া।

হিরন সেই হাসিটা দিল আবার।

গ্রামে পোঁছে যেইনা টাকাটা দিতে যাবে দেখে হিরন নেই!

ভয়ে তিনি সেখান থেকে দৌড়ে পালালেন,,হঠাৎ দেখে সামনে একটি কবরস্থান আর সেখানে আলো জলছে।ভয়ে ভয়ে তাকাতেই দেখে একটি মেয়ে একটি বাচ্চার মাথা চিবিয়ে খাচ্ছে। ভয়ে তার মরার মত অবস্থা।অবাক করার বিষয় হচ্ছে ওই আত্মাটা মিতার। যে ১বছর আগে হিরনের সাথে প্রেমের পর পরিবার বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ার আত্মহত্যা করে। এর পর থেকে হিরনকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি এই কান্ড দেখে নিজের অজান্তেই চিৎকার করে উঠেন। মিতা তখন ভয়ানক চেহারা আর চাহনি নিয়ে তার দিকে এগিয়ে আসছিল যেন হা করেলেই আস্ত মানুষের মাথা খেয়ে ফেলতে পারবে।রহিম মিয়া ভয়ে চিৎকার করে পালাতে পালাতে গ্রামে এসে অজ্ঞান হয়ে পরে।জ্ঞান ফিরলেই সে নিজের পরিবারকে দেখে আর সব খুলে বলে।গ্রামবাসীরা বলে আত্মাগুলোকে নাকি মাঝে মাঝেই দেখা যায়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD