সুন্দরী এক রমণী রয়েছে যার মুখ ভর্তি দাড়ী, এমনই একজন সুন্দরি রমণীর কথা তুলে ধরছি যার নাম “হরনাম”। ভারতের পান্জাব প্রদেশের মেয়ে তিনি। জন্ম ও বসবাস লন্ডনে।
হরনাম বিশ্বের কনিস্ট দাড়ী ওয়ালা রমণী হিসেবে গিনিস বুকে স্হান করে নিয়েছেন ।
দাড়িতেই নিজের সৌম্দর্য গড়ে নিয়েছেন ৩০ নছর বয়সী এই রমণী।
বর্তমানে ফ্রিলেন্সার মডেলার হিসেবে কাজ করছেন। আবার কখনো কখনো মোটিভেষনা স্পীচ ও দিয়ে থাকেন তিনি।
একজন নারীর সৌন্দর্য কোমলতায়, যখন নারীর মুখে দাড়ী তখন দেখতে কেমন দেখায়?!
এমন প্রশ্নের জবাবে হরনম বলেন, পুরুষের মুখে দাড়ী আর দারীশুন্য নারী, এটাই সাভাবিক।
এর উল্টোটা হলেই বেমানান ও লজ্জাজনক।
হরনম ১২ বছর বয়সেই পলিসিস্ট্রিক অভারি সিনড্রমে আক্রান্ত হন।
এটি একটি হরমোন জনিত রোগ। পৃ থিবিতে এই রোগির সংক্ষা লাখ লাখ।
তবে পিসিওস হলেই মুখে দাড়ী হবে এমনটি নয়, এর প্রভাব শরীরের বিভিন্য অংগে পরতে পারে বলেও যানাযায়।
হরনম বলেন নারীর শরীরে লোম থাকাটা সাভাবিক শত চে স্টা করেও সরানো যায়না।
আমিও বহু চেস্টা করেছি, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি অবশেষে দাড়ী রাখতে বাদ্ধ জয়েছি।
লোকেদের নানা কটু কথার শিকার হতে হয়েছে অনেক।
তবে আমি আমার এই চেহারা নিয়েই খুশি।
আজ আমার যেমন অবস্হান রয়েছে তা আৃার জন্য অনেক বড় পাওয়া।
এই অবস্হানে পৌছেতে অনেক সময় লেগেছে, নিজেকে অনেক ভালোবাসতেও হয়েছে।
হরনম বিশ্বখ্যত মেগাজিন কজমোপলিটিন ও গ্লামারের পচ্ছদে যায়গা করে নিয়েছেন।
গিনিস বুকে নাম লেখানোর পর থেকে তাকে আর পিঁছু ফিরে তাকাতে হয়নি।
অপ্রতিরোদ্ধ হয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন নিজের লক্ষে।

হরনম বিশ্বের নারী জাতির জন্য এক উদাহরন ও বটে।
তিনি বিভিন্ন সময় মটিভেষনাল স্পিচ দিয়ে নারীদের আত্নবিস্বাসী হতে শক্তি ও মনোবল যোগান।
এস কে হুসাইন
Leave a Reply