ভারতে জন্ম নিলো ‘কালো ছত্রাক’- এই নতুন রোগে আক্রান্ত প্রায় ৯ হাজার, বাড়ছে আতঙ্ক!
সাম্প্র’তিক মাসগুলোতে ভারতে সুস্থ হয়ে ওঠা কোভিড-১৯ রোগীদে’র মধ্যে কয়েক হাজা’র ব্যক্তির দেহে এক প্রকার ‘কালো ছত্রাকের সংক্রমণ মিলেছে বলে বিবিসির এক প্রতিবে’দনে জানানো হয়েছে।
সাধারণত কো’ভিড-১৯ থেকে সেরে ওঠার ১২ থেকে
১৮ দিন পর এ ছত্রাক আঘাত হানতে দেখা যাচ্ছে,
বলছেন চিকিৎ’সকরা।
ভারতে এখন পর্যন্ত যত’জনের দেহে বিরল এ সংক্রমণ
ধরা পড়ে’ছে তার অর্ধেকেরও বেশি মিলেছে পশ্চিমা’
ঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাট ও মহারাষ্ট্রে।
বিরল এই রোগে আক্রা’ন্তদের চিকিৎসায় দেশজুড়ে
হাসপাতালগুলো’তে যত নতুন ওয়ার্ড খোলা হয়েছে,
তার সবগু’লোই অল্প সময়ের মধ্যে পূর্ণ হয়ে যেতে
পারে বলে কর্মকর্তারা আ’শঙ্কা করছেন।
মধ্য প্রদেশের ইন্দো’রে এক হাজার ১০০ শয্যার
মহারাজা যশ’বন্ত রাও হাসপা’তালে এক সপ্তাহ
আগেও মিউকরমা’ইকো’সিসের সংক্রমণ নিয়ে
ভর্তি ছিলে’ন মাত্র ৮ জন; বাড়’তে বাড়তে শনি
বার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই সংখ্যা দাঁড়ি’য়েছে ১৮৫তে।
যশব’ন্ত রাও হাসপা”তালে ‘কালো ছত্রাকে’
আক্রান্ত রোগীদের জন্য ১১টি ওয়া”র্ডে মোট
২০০টি শয্যা রাখা হয়ে’ছিল। যে হা’রে রোগী
বাড়ছে, তাতে কয়েকদিন পর নতুন কাউ’কে
ভর্তি করা যাবে না বলেই ধারণা পান্ডের।
“আমরা আগে বছ’রে এ ধরনের এক কি দুইটা
ঘটনা পে’তাম। আর এখন রোগী যেভা’বে বাড়ছে,
তা সত্যিই অপ্রত্যা’শিত,” বলেছেন তিনি।
কেবল ইন্দোরেই মিউক’রমাইকো’সিসে আক্রান্ত
৪০০ রোগীর খোঁজ মিলে’ছে বলে জানান
এ চিকিৎসক।
“কালো ছত্রা’কের সংক্র’মণ এখন কোভিড-১৯
এর চেয়েও বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠ’ছে।
রোগীদে’র যদি যথাসময়ে ঠিক’ঠাক চিকিৎসা
দেও’য়া না যায়, তাহলে এতে মৃ’ত্যু হার বেড়ে ৯৪
শতাং’শে চলে যেতে পারে। এর চিকি’ৎসা বেশ
ব্যয়বহুল এবং ওষুধের সরব’রাহ সীমিত
বলেছেন তিনি।
“কোনো মিউক’রমা’ইকোসিস রোগীর রক্তেই
শর্ক’রার মাত্রা স্বাভাবি’ক থাকে না,” বলেছেন
চিকিৎসক অ’ক্ষয় নয়ার।
Leave a Reply