শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা-নাঙ্গলকোট এর ঢালুয়া ইউনিয়ন নেতৃত্ত বিকাশের এক পাঠশালা বাহরাইনে প্রবাসীদের জন্য নতুন সুযোগ বাংলাদেশে নিরাপদ আবাসনে ১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে এডিবি সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের বাসা থেকে মরিয়মের চিঠি। উঠে এসেছে সম্পর্কের টানাপোরান নাঙ্গলকোটে জলাশয়ে ফের ড্রেজার, মাটি উত্তোলনে জনদুর্ভোগ এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যু: আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় এমপি ও প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার শোক সংবাদ সৌদি আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিদাহে ৭ বাংলাদেসী নীহত বাংলাদেশিকে ফেরত দেওয়ায় দুই ভারতীয়কে ছেড়ে দিল স্থানীয়রা আমেরিকার দূতদের পাকিস্তান সফর বাতিলের কারণগুলো জানালেন ট্রাম্প

কুমিল্লা-নাঙ্গলকোট এর ঢালুয়া ইউনিয়ন নেতৃত্ত বিকাশের এক পাঠশালা

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

কুমিল্লা নাঙ্গলকেট থানাধিন, ঢালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বিকাশের পাঠশালা !
ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ইউনিয়ন ঢালুয়া।
ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা থেকে এ পর্যন্ত ১৫ জন ইউনিয়ন পরিষদের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

অনেকেই সফলভাবে নেতৃত্বের জন্য চির স্মরণীয় হয়ে আছেন।
যাদের হারভাঙ্গা পরিস্রমে, আর নৈতিক পথচলায় ঢালুয়া ইউনিয়নের সাধারন জনগন আত্নত্প্তৃির সাথে জিবিকা নিবাহ করেছিলেন।

তারা হলেন:

ঢালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন মন্নারা গ্রামের – সালামত উল্লাহ মজুমদার। তিনি তৎকালীন গ্রাজুয়েট ছিলেন। তারপর চিওড়া (মিয়া বাড়ি) আলতাফ হোসেন মিয়া চেয়ারম্যান ছিলেন।
পরবর্তীতে মকিমপুর গ্রামের গোলাম আব্দুল কাদের (পণ্ডিত) ঢালুয়া ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী, কুমিল্লা জেলাজজ কর্তৃক জুঁই বোর্ডের হাকিম ছিলেন। তখন জটিল জটিল কেসের সমাধান খুজে পেতে, একটি বোর্ড গঠননকরা হতো জার নাম জুড়ি বোর্ড। যেখানে অংশ নিতেন বিগ্গ, জ্ঞানী ব্যক্তি বর্গ।

বাংলাদেসের আইনের একটি ধাপ এটা। আজও দেখাজায় সুপ্রিমন কোর্ট একই ধরনের বোর্ড বসানো হয়, যেখানে কয়েকজন জর্জ বসে জটিল কপস এর চুরান্ত সমাধা ও রায় নির্ধারন করেন।  পন্ডিত সাহেব ছিলেন তার মধ্যে অন্যতম। ইউনিয়নের একজনই ছিলেন এই বিরল সম্মানের অধিকারী।
উনার পরে বদরপুরের আতাউর রহমান সাহেব চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি তখন তৎকালীন আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা করেন।এই শিক্ষা অনুরাগীর নেতৃত্বে ঢালুয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে বদরপুর ভূইয়া বাড়ির ডাঃনুরুল ইসলাম ভূঁইয়া চেয়ারম্যানের নির্বাচিত হন। উনার পরে মন্নারার আবুল কাসেম মজুমদার চেয়ারম্যান নির্বাচিত, উনার সাথে মন্নারা গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদের ভাই- চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন খন্দকার আব্দুস ছোবান। পরে কিছুদিনের জন্য রিলিপ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন গুরুক মুড়া গ্রামের ডাঃ আখতারুজ্জামান চৌধুরী । পরবর্তীতে জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ।পরে চিওড়া গ্রামের বদিউল আলম চেয়ারম্যান হন,পরবর্তীতে চৌকুড়ী গ্রামের ইনকাম ট্যাক্স লইয়ার আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া নির্বাচিত হন। এরপরে বদরপুর (বড় বাড়ি) আব্দুল গফুর ভূঁইয়া নির্বাচিত হন। উনার পরে চিওড়া গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান মজুমদার নির্বাচিত হন। এরপর ঢালুয়া গ্রামের মফিজুর রহমান হক নির্বাচিত হন সর্বশেষ নাজমুল হাসান ভূঁইয়া বাছির নির্বাচিত হন।
দুইজন ছাড়া বাকি সবাই প্রয়াত । এ ১৫ জন থেকে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবদীন ভূঁইয়া মহান জাতীয় সংসদের সদস্য হয়েছেন,
আরেক জন নাজমুল হাসান ভূঁইয়া বাছির বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

আমার মনে হয় ঢালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ লিডারশিপ গঠনের কারখানা। আমরা যদি ভবিষ্যতে যোগ্য লোককে নির্বাচিত করতে পারি, অবশ্যই ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরিত করতে পারব বলে আমার বিশ্বাস।তবে আমরা যদি ৫০০ টাকা অথবা ১০০০ টাকার কাছে বিবেক বিক্রি না করি। যদি যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত করতে পারি তবেই স্থানীয় উন্নয়ন যেমন হবে, তেমনি সুষম বন্টনের ওআশা করতে পারি। ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্বাচনে যদি ভুল করি, তাহলে স্থানীয় উন্নয়ন পিছিয়ে যাবে।পরিশেষে আমি বলব যোগ্যদের অবশ্যই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া উচিত অন্যথায় অযোগ্যরা নির্বাচিত হয়ে আপনাদের নেতৃত্ব দিবে। মনে রাখবেন -সময় চলে গেলে সাধন হয় না।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
শেখ শাহজাহান

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD