রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা-নাঙ্গলকোট এর ঢালুয়া ইউনিয়ন নেতৃত্ত বিকাশের এক পাঠশালা বাহরাইনে প্রবাসীদের জন্য নতুন সুযোগ বাংলাদেশে নিরাপদ আবাসনে ১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে এডিবি সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের বাসা থেকে মরিয়মের চিঠি। উঠে এসেছে সম্পর্কের টানাপোরান নাঙ্গলকোটে জলাশয়ে ফের ড্রেজার, মাটি উত্তোলনে জনদুর্ভোগ এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যু: আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় এমপি ও প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার শোক সংবাদ সৌদি আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিদাহে ৭ বাংলাদেসী নীহত বাংলাদেশিকে ফেরত দেওয়ায় দুই ভারতীয়কে ছেড়ে দিল স্থানীয়রা আমেরিকার দূতদের পাকিস্তান সফর বাতিলের কারণগুলো জানালেন ট্রাম্প

গন্বগোকুল, বাগদাস বা খাটাশ বিলুপ্তির পথে

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৪২০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আমরা অনেক সময় ঠাট্টা করে বা রাগের বসে অন্যকে বলে থাকি-” তুই একটা খাটাশ। ” সেই খাটাশ সম্পর্কে কতোটুকু জানি! চলুন দেখে নিই…..

আঞ্চলিক নাম : সাধারণ বা এশীয় তাল খাটাশ’, ‘ভোন্দর’, ‘নোঙর’,‘সাইরেল’ বা ‘গাছ খাটাশ’ নামে পরিচিত। তালের রস বা তাড়ি পান করে বলে তাড়ি বা টডি বিড়াল নামেও পরিচিত।
খাটাশের শরীরের রং তামাটে ধূসর বা পাঁশুটে

বাদামি, পিঠ ও গলায় রেখা ও ডোরা, বুকের পাশ ও পেছনের দিকে ফুটকি দাগ। ঘাড়ে কয়েকটি আড়াআড়ি দাগ। কালো লেজে সাদা সাদা বেড়। শরীরের গড়ন বাগডাসের মতো, তবে পিঠে খাড়া লোমের শিরা নেই। মাথাসহ দেহদৈর্ঘ্য ৯৫ সেমি, লেজ প্রায় ৩৫ সেমি আর ওজন ৪ কেজি। বাগডাস ও খাটাশের মধ্যে শরীরের নকশা ও আকারে পার্থক্য বিদ্যমান। অর্থাৎ, বাগডাস খাটাশের চাইতে আকারে বড়।

এরা নিশাচর। গাছে উঠতে পারলেও মাটিতেই শিকার ধরে এবং ইঁদুর, কাঠবিড়ালী, ছোট পাখি, টিকটিকি, কীটপতঙ্গ ও সেগুলির লার্ভা খেয়ে থাকে। গৃহস্থের হাঁস-মুরগি চুরি করে বলে গ্রামীণ লোকালয়ে বাস করতে পছন্দ করে। এরা নিঃসঙ্গ জীবন যাপন করতে পছন্দ করে।
পূর্ণবয়স্ক খাটাশ খোশমেজাজে থাকলে টিকটিক আওয়াজ করতে থাকে। ভয় পেলে সিভেট-গ্রন্থি থেকে দুর্গন্ধ ছড়ায়।
এদের নির্দিষ্ট প্রজনন ঋতু নেই, বছরে যে কোনো সময়ে স্ত্রী বাগডাস ২-৬ টি বাচ্চা প্রসব করে। মা খাটাশ বাচ্চাদের লালন পালন করে থাকে।শুষ্ক ও আর্দ্র উভয় অঞ্চলেই বাস। প্রয়োজন ছাড়া পানিতে নামেনা বা সাঁতার কাটে না। অরণ্যের বদলে নিবিড় তৃণভূমি ও বন-বাদাড়ই বেশি পছন্দ। গর্ত, পাথরের নিচে কিংবা উঁচু ঘাস ও ঝোপঝাড়ের তলায় থাকে।
সুন্দরবন ও উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ অঞ্চল ছাড়া খাটাশ দেশের সর্বত্রই আছে। আবাসভূমি ধ্বংস ও হাঁস-মুরগি বাঁচানোর জন্য ব্যাপক নিধনের জন্যই এরা বিপন্ন। বাংলাদেশ ছাড়াও খাটাশ আছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, মায়নমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায়।
★ খাটাশ গৃহপালিত পাখি চুরি করে বলে তাদের অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনীয়তা মানব মনে খুব কমই বিরাজ করে। তাই বিপন্ন হবার পথে ভারাক্রান্ত মন নিয়ে এগিয়ে চলেছে খাটাশ বা ছোট বাগডাস। সংগৃহীত

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD